যেমন প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে বিনিয়োগের পরিমাণ। সেই সঙ্গে বীমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ আরও স্ফীত হয়েছে। গত এক বছরে বেসরকারী জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর প্রিমিয়াম আয় প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর সাধারণ বীমার প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ১০ শতাংশ। এ সময়ে জীবন বীমা খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বীমা খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে ১৩ শতাংশ। সম্পদ বেড়েছে জীবন বীমার ৰেত্রে ২৯ শতাংশ, আর সাধারণ বীমার ৰেত্রে ৪৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মতিঝিলের চেম্বার বিল্ডিংয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এ. কে. এম. রফিকুল ইসলাম। সভায় ব্যাপক সংখ্যক বীমা কোম্পানী সমূহের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উর্ধতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ সভায় উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জীবন বীমা খাতে প্রাইভেট বীমা কোম্পানিগুলোর উপার্জিত প্রিমিয়াম আয়ের পরিমাণ ছিল ২০০৮ সালে তিন হাজার ৫৯৭ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা ২০০৯ সালে চার হাজার ৫৯৫ কোটি৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ শতকরা ২৭.৭৫ শতাংশ। অন্যদিকে সাধারণ বীমা খাতে প্রাইভেট বীমা কোম্পানিগুলোর মোট প্রিমিয়াম আয়ের পরিমাণ ২০০৮ সালে দাঁড়ায় এক হাজার ১১৬ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০০৯ সালে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২২৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এই আয় বৃদ্ধির পরিমাণ শতকরা ১০.০৩। বেসরকারী জীবন বীমা খাতের লাইফ ফান্ড ২০০৯ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫১৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। যা ২০০৮ সালে ছিল আট হাজার ৮৬ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। লাইফ ফান্ডের প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ৩০ শতাংশ। বেসরকারী জীবন বীমা খাতে ২০০৮ সালের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭১৫ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ২০০৯ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৮ হাজার ৭০৫ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ২৯.৬৪ শতাংশ। অন্যদিকে বেসরকারী সাধারণ বীমা খাতে ২০০৮ সালের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল এক হাজার ১২৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ২০০৯ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে এক হাজার ২৭৬ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ খাতে প্রবদ্ধি হয়েছে ১৩.২১ শতাংশ। বেসরকারী খাতে জীবন বীমা কোম্পানির মোট সম্পদ ২০০৮ সালে ৯ হাজার ১৩৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০৯ সালে ১১ হাজার ৮০২ কোটি এক লাখ ৫০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। যার প্রবৃদ্ধির হার ২৯.১৭ শতাংশ। বেসরকারী সাধারণ বীমা কোম্পানির ২০০৮ সালে সমপদের পরিমাণ দুই হাজার ২৭৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০৯ সালে তিন হাজার ২৬৭ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা হয়েছে। যার বৃদ্ধির হার ৪৩.৫৯ শতাংশ। সাধারণ সভায় এ.কে.এম. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ইন্সু্যরেন্সের আইন এবং রম্নলস যথাযথ প্রয়োগে নতুন রেগুলেটরি অথোরিটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং বীমা খাতের বিরাজমান সমস্যা সমাধান হবে। তিনি বীমা শিল্পের প্রবৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য পেশাগত দক্ষ কর্মকর্তা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা, বিক্রয় কৌশল এবং নতুন পণ্য উদ্ভাবনের ওপর গুরম্নত্ব আরোপ করেন। বক্তব্য শেষে রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং বিদায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদ নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছে দায়িত্বভার অর্পণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনকে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করায় অভিনন্দন জানান এবং তাঁকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় ধন্যবাদ জানান। তিনি বীমা খাতের বিরাজমান সমস্যা সমাধানের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জীবন বীমা ব্যবসা দ্রম্নতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এ খাতের সমস্যাসমূহ গুরম্নত্ব সহকারে সমাধান করা উচিত। সভায় বাংলাদেশ ইন্সু্যরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের বিদায়ী ভাইস-চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমেদ, গ্রীন ডেল্টা ইন্সু্যরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির এ. চৌধুরী, পূরবী জেনারেল ইন্সু্যরেন্সের চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্সু্যরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
source
কিছু বলতে চাইলে এখানে ক্লিক করে লিখুন
source
কিছু বলতে চাইলে এখানে ক্লিক করে লিখুন
ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড চলতি মূলধন বাড়ানো
ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড চলতি মূলধন বাড়ানো ও ব্যাসেল-২ বাস্তবায়নের জন্য ২৫০কোটি টাকার ৭বছর মেয়াদী নির্দিষ্ট হারে সম্পুরক বন্ড বাজারে ছেড়েছে। ব্যাংকটি এই প্রথমবারের মতো এই বন্ড চালু করলো। এ ব্যাপারে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোহিতা করছে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক। বিষয়টিতে প্রয়োচনীয় অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি)। মঙ্গলবার এ উপলক্ষে রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান পারভীন হক সিকদার।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নেয়াজ আহমেদ, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সিইও জিম ম্যাকক্যাবি। এসময় বন্ডে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উর্ধŸতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এ বন্ডের গ্রাহক হয়েছেন।
কিছু বলতে চাইলে এখানে ক্লিক করে লিখুন
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নেয়াজ আহমেদ, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সিইও জিম ম্যাকক্যাবি। এসময় বন্ডে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উর্ধŸতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এ বন্ডের গ্রাহক হয়েছেন।
কিছু বলতে চাইলে এখানে ক্লিক করে লিখুন
সোনালী আঁশ লিমেটড।
গত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার এবং ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী আঁশ লিমেটড। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি ৫টি শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার এবং শেয়ারপ্রতি নগদ ১০ টাকা পাবেন। তবে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা শুধু বোনাস শেয়ার পাবেন।
আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে অবস্থিত হোয়াইট হাউস হোটেলে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক হিসাব বিবরণী অনুযায়ী, গত অর্থবছরে কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। ওই সময়কালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫৬ টাকা ১১ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২ হাজার ৫৮৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি পরিচালন অর্থ প্রবাহ ৫৬ টাকা ৫৬ পয়সা ছিল।



আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে অবস্থিত হোয়াইট হাউস হোটেলে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক হিসাব বিবরণী অনুযায়ী, গত অর্থবছরে কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। ওই সময়কালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫৬ টাকা ১১ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২ হাজার ৫৮৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি পরিচালন অর্থ প্রবাহ ৫৬ টাকা ৫৬ পয়সা ছিল।
কোম্পানিটির ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের নামে।
আবাসন খাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড পুঁজিবাজারে আসছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি চলতি মাসের মধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন চেয়ে বিবরণপত্র বা প্রসপেক্টাস জমা দেবে। আর অনুমোদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। এ কাজের প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে কোম্পানির উদ্যোক্তারা রোড-শোর আয়োজন করেন। শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে এ রোড-শোর আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপক আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এতে নাভানা রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। রোড-শোতে উদ্যোক্তারা কোম্পানিটির মৌলিক বিভিন্ন দিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সামনে বর্ণনা করেন।
এ সময় জানানো হয়, নাভানা রিয়েল এস্টেটের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ারে বিভক্ত। প্রতিষ্ঠানটি আইপিওর মাধ্যমে নতুন করে আরও তিন কোটি শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এতে তাদের মোট পরিশোধিত মূলধন বেড়ে হবে ৬০ কোটি টাকা। সর্বশেষ নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয়েছে নয় টাকা ৬৬ পয়সা। কোম্পানিটির বর্তমান আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা ইত্যাদি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য চেয়েছে ১৪০ টাকা। তবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী ন্যূনতম ১৫টি প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে শেয়ারের প্রকৃত নির্দেশক দাম ঠিক করা হবে। আর এ নির্দেশক মূল্যের ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা চূড়ান্ত দরপত্রে অংশ নেবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এর ২০ শতাংশ কম-বেশির মধ্যে থেকে দাম প্রস্তাব করবে। এভাবে প্রস্তাবিত দামের ভারিত্ব গড়ের ভিত্তিতে আইপিওর মূল্য নির্ধারিত হবে। তাই কোম্পানিটি বাজার থেকে কত টাকা উত্তোলন করবে চূড়ান্ত দরপত্র সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বলা সম্ভব নয়। রোড-শোতে জানানো হয়েছে, পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, জমি ক্রয় ও ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি চলতি মূলধন হিসেবে কাজে লাগানো হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে কোম্পানিটির ৪৬টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। আর শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে ৭৫টি প্রকল্প।
উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের নামে।
source
==================================================================
ইন্টারন্যশনাল ক্রেডিড কার্ড যাদের আছে তারা নিচের ডায়ামন্ডগুলো কিনতে পারবেন।
কিনতে চাইলে প্রোডাক্টের উপর ক্লিক করে ইন্সট্রাকশন ফলো করুন।
tk.35000
এ সময় জানানো হয়, নাভানা রিয়েল এস্টেটের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ারে বিভক্ত। প্রতিষ্ঠানটি আইপিওর মাধ্যমে নতুন করে আরও তিন কোটি শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এতে তাদের মোট পরিশোধিত মূলধন বেড়ে হবে ৬০ কোটি টাকা। সর্বশেষ নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয়েছে নয় টাকা ৬৬ পয়সা। কোম্পানিটির বর্তমান আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা ইত্যাদি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য চেয়েছে ১৪০ টাকা। তবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী ন্যূনতম ১৫টি প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাবের ভিত্তিতে শেয়ারের প্রকৃত নির্দেশক দাম ঠিক করা হবে। আর এ নির্দেশক মূল্যের ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা চূড়ান্ত দরপত্রে অংশ নেবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এর ২০ শতাংশ কম-বেশির মধ্যে থেকে দাম প্রস্তাব করবে। এভাবে প্রস্তাবিত দামের ভারিত্ব গড়ের ভিত্তিতে আইপিওর মূল্য নির্ধারিত হবে। তাই কোম্পানিটি বাজার থেকে কত টাকা উত্তোলন করবে চূড়ান্ত দরপত্র সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বলা সম্ভব নয়। রোড-শোতে জানানো হয়েছে, পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, জমি ক্রয় ও ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি চলতি মূলধন হিসেবে কাজে লাগানো হবে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে কোম্পানিটির ৪৬টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। আর শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে ৭৫টি প্রকল্প।
উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের নামে।
source
==================================================================
ইন্টারন্যশনাল ক্রেডিড কার্ড যাদের আছে তারা নিচের ডায়ামন্ডগুলো কিনতে পারবেন।
কিনতে চাইলে প্রোডাক্টের উপর ক্লিক করে ইন্সট্রাকশন ফলো করুন।
tk.35000
ব্যাংকের শেয়ারের অভিহিত মূল্য ও মার্কেট লট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারের অভিহিত মূল্য ও মার্কেট লট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৮ম বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী ইজিএম-এ সভাপতিত্ব করেন।
ইজিএম-এ অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য একশ’ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০টি থেকে ২৫০টিতে উন্নীত করা হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি’র অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ইজিএম-এ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন ইমাম আনোয়ার হোসেন, পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারপারসন শাহনাজ কাশেম, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মফিজ আহমেদ ভূইয়া, ড. মোহাম্মদ আসলাম ভূঁইয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এহসানুল হক প্রমুখ।
ইজিএম-এ অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য একশ’ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০টি থেকে ২৫০টিতে উন্নীত করা হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি’র অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ইজিএম-এ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন ইমাম আনোয়ার হোসেন, পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারপারসন শাহনাজ কাশেম, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মফিজ আহমেদ ভূইয়া, ড. মোহাম্মদ আসলাম ভূঁইয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এহসানুল হক প্রমুখ।
Services of Trust Bank Investment Ltd
Trust Bank Ltd has launched its fully-owned subsidiary Trust Bank Investment Ltd, the merchant banking arm of the bank to fortify its position in the stock market operation.
The launching programme was held in a city hotel Tuesday.
The new business entity of the bank was inaugurated by Bangladesh Bank (BB) governor Dr. Atiur Rahman.
Trust Bank Investment Ltd. is set to be a speciaised firm to provide share issue management, underwriting and portfolio management services to its client with its in-depth knowledge and expertise.
Chief of Army Staff and Chairman of Trust Bank Ltd. General Md. Abdul Mubeen, FBCCI president A.K. Azad, Bangladesh Association of Banks (BAB) chairman Nazrul Islam Mazumder, Managing Director and CEO of TBL Shah A. Sarwar also spoke on the occasion.
BB governor Dr. Rahman lauded opening a separate firm for merchant baking. He also said, "We'll continue our surveillance to keep banking sector risk free as much possible, especially the risk emanating from too much exposure to share market".
Gen Md. Abdul Mubeen said, "Trust Bank is fully committed to establish transparency for the sake of its shareholders, depositors and the society at large".
Ishtiaque Ahmed Chowdhury, Managing Director of Trust Bank Investment Ltd sought cooperation to make the new business entity a success.
In his speech Shah A. Sarwar reaffirmed his bank's pursuit of long term sustainability along with goal of financial inclusion and responsibility to society.
Head of Trust Bank Ltd. also highlighted the bank's future plan of launching digital pay for payroll management and mobile money.
Trust bank started its journey in 1999 and in 2007, the bank first started to provide merchant banking service to its clients. Later, the bank registered Trust Bank Investment Ltd. as a separate company in September 2009 with paid up capital of BDT 3.0 billion in line with the directive of BB that asked all the banks to separate their merchant banking to minimise the risk.
Services of Trust Bank Investment Ltd. will be available in Gulshan, Karwan Bazar, Kafrul, Narayangonj and Shahjalal Uposhohor Sylhet branch.
Vice Chairman and Directors of Trust Bank Ltd, Chairman of Securities and Exchange Commission Md. Ziaul Haque Khondker, and high officials from different banks were also present on the occasion.
Trust Bank Ltd. currently holds more than 50 billion BDT deposit which is 28 per cent higher than September 2009. Operating profit of the bank reached BDT 1.94 billion which was BDT 1.12 billion last year.
The bank plans to set up 400 branches and 500 pay points in next 5 years. Top management informed that the bank donates 5 per cent of total income to CSR fund every year.
The launching programme was held in a city hotel Tuesday.
The new business entity of the bank was inaugurated by Bangladesh Bank (BB) governor Dr. Atiur Rahman.
Trust Bank Investment Ltd. is set to be a speciaised firm to provide share issue management, underwriting and portfolio management services to its client with its in-depth knowledge and expertise.
Chief of Army Staff and Chairman of Trust Bank Ltd. General Md. Abdul Mubeen, FBCCI president A.K. Azad, Bangladesh Association of Banks (BAB) chairman Nazrul Islam Mazumder, Managing Director and CEO of TBL Shah A. Sarwar also spoke on the occasion.
BB governor Dr. Rahman lauded opening a separate firm for merchant baking. He also said, "We'll continue our surveillance to keep banking sector risk free as much possible, especially the risk emanating from too much exposure to share market".
Gen Md. Abdul Mubeen said, "Trust Bank is fully committed to establish transparency for the sake of its shareholders, depositors and the society at large".
Ishtiaque Ahmed Chowdhury, Managing Director of Trust Bank Investment Ltd sought cooperation to make the new business entity a success.
In his speech Shah A. Sarwar reaffirmed his bank's pursuit of long term sustainability along with goal of financial inclusion and responsibility to society.
Head of Trust Bank Ltd. also highlighted the bank's future plan of launching digital pay for payroll management and mobile money.
Trust bank started its journey in 1999 and in 2007, the bank first started to provide merchant banking service to its clients. Later, the bank registered Trust Bank Investment Ltd. as a separate company in September 2009 with paid up capital of BDT 3.0 billion in line with the directive of BB that asked all the banks to separate their merchant banking to minimise the risk.
Services of Trust Bank Investment Ltd. will be available in Gulshan, Karwan Bazar, Kafrul, Narayangonj and Shahjalal Uposhohor Sylhet branch.
Vice Chairman and Directors of Trust Bank Ltd, Chairman of Securities and Exchange Commission Md. Ziaul Haque Khondker, and high officials from different banks were also present on the occasion.
Trust Bank Ltd. currently holds more than 50 billion BDT deposit which is 28 per cent higher than September 2009. Operating profit of the bank reached BDT 1.94 billion which was BDT 1.12 billion last year.
The bank plans to set up 400 branches and 500 pay points in next 5 years. Top management informed that the bank donates 5 per cent of total income to CSR fund every year.
বেক্সিমকো গ্রুপের অবৈধ দখলে থাকা ৩.৮২ একর জমি
রাজধানীর শাহবাগে বেক্সিমকো গ্রুপের অবৈধ দখলে থাকা ৩.৮২ একর জমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকারের পক্ষ থেকে এ জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের কাছে দখল বুঝিয়ে
দেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে আরডিসি আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমীন। ঢাকা জেলা প্রশাসক মহিবুল হক জানিয়েছেন, জনকল্যাণে এ জমি বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষকে বরাদ্দ ও দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো বলেও জানান তিনি। ঢাকা জেলা প্রশাসক বলেন, অধিগ্রহনের পর জমিটি একটি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। বরাদ্ধের পর জমিটি অব্যবহৃত অবস্থায় প্রায় ২০ বছর ধরে ফেলে রাখা হয়। এতে বরাদ্দের শতের্র বরখেলাপ হওয়ায় জমির লীজ বাতিল এবং খাস খতিয়ানভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। খাস খতিয়ানভুক্ত করার পর এ বিষয়ে গেজেটও প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে জনকল্যাণে এ খাস জমি বিএসএমএমইউকে লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ডিসি আরও জানান, সকল নিয়ম-নীতি মেনেই দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বেক্সিমকো গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ তানভীর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উচ্ছেদে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগাম নোটিশ ছাড়াই প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। প্রশাসন তাদের কখা শুনছে না বলেও জানান বেক্সিমকো গ্রুপের ওই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এ জমি অধিগ্রহণ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। রাজউক জমিটি বেক্মিকো গ্রুপের সহযোগী একটি প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেয়। কিন্তু শর্তানুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণ না করায় ভূমি মন্ত্রণালয় লিজ বাতিল করে এবং জমি খাস খতিয়ানভুক্ত করে। এরপর থেকে বেক্সিমকো ওই জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে জমিতে নিজেদের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখে। গত অক্টোবরে সরকার এ জমি বিএসএমএমইউকে বন্দোবস্তের অনুমোদন দেয়। সরকারি হিসেবে, এ জমির বর্তমান মূল্য ১৬৩ কোটি টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্যে বিএসএমএমইউকে শতকরা ১০ টাকা মূল্য হিসেবে ১৬ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯ টাকায় জমিটি লিজ দেয়া হয়েছে।
source
দেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষে আরডিসি আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমীন। ঢাকা জেলা প্রশাসক মহিবুল হক জানিয়েছেন, জনকল্যাণে এ জমি বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষকে বরাদ্দ ও দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো বলেও জানান তিনি। ঢাকা জেলা প্রশাসক বলেন, অধিগ্রহনের পর জমিটি একটি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। বরাদ্ধের পর জমিটি অব্যবহৃত অবস্থায় প্রায় ২০ বছর ধরে ফেলে রাখা হয়। এতে বরাদ্দের শতের্র বরখেলাপ হওয়ায় জমির লীজ বাতিল এবং খাস খতিয়ানভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। খাস খতিয়ানভুক্ত করার পর এ বিষয়ে গেজেটও প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে জনকল্যাণে এ খাস জমি বিএসএমএমইউকে লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ডিসি আরও জানান, সকল নিয়ম-নীতি মেনেই দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বেক্সিমকো গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ তানভীর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উচ্ছেদে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগাম নোটিশ ছাড়াই প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। প্রশাসন তাদের কখা শুনছে না বলেও জানান বেক্সিমকো গ্রুপের ওই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এ জমি অধিগ্রহণ করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। রাজউক জমিটি বেক্মিকো গ্রুপের সহযোগী একটি প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেয়। কিন্তু শর্তানুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণ না করায় ভূমি মন্ত্রণালয় লিজ বাতিল করে এবং জমি খাস খতিয়ানভুক্ত করে। এরপর থেকে বেক্সিমকো ওই জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে জমিতে নিজেদের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখে। গত অক্টোবরে সরকার এ জমি বিএসএমএমইউকে বন্দোবস্তের অনুমোদন দেয়। সরকারি হিসেবে, এ জমির বর্তমান মূল্য ১৬৩ কোটি টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্যে বিএসএমএমইউকে শতকরা ১০ টাকা মূল্য হিসেবে ১৬ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯ টাকায় জমিটি লিজ দেয়া হয়েছে।
source
Subscribe to:
Posts (Atom)
এই সাইটের কোন এট্রাক্টিভ নিউজ যদি missকরতে না চান,তাহলে বাম পাশে BLACK BOX-এর Like বাটনে ক্লিক করে সদস্য হোন ।